১২ ঘণ্টার মধ্যে মিজোরামে ফের জোরালো ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

444

অনলাইন ডেস্ক: ১২ ঘণ্টার মধ্যে মিজোরামে ফের ভূমিকম্প। রবিবার বিকেলের পর সোমবার ভোরেও কেঁপে উঠল মিজোরাম। মণিপুরেও কম্পন অনুভূত হয়।

- Advertisement -

জাতীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র টুইটে জানিয়েছে, সোমবার ভোর ৪.১০ মিনিট নাগাদ মিজোরাম ভূমিকম্প হয়েছে। চম্পাইয়ের ২৭ কিলোমিটার পূর্ব ও উত্তর-পূর্বে  ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটর স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৫। কম্পনের উপকেন্দ্র ভূমি থেকে ২০ কিমি গভীরে ছিল।

ভূমিকম্পের জেরে মিজোরামে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও আজকের ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক বাড়িতে ফাটল ধরে গিয়েছে। এছাড়াও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে।

ভূমিকম্পের পর মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরফে সাহায্যের আশ্বাস মিলেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বিধায়ক ও জেলা প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির ওপর নজর রাখছে।

এর আগে রবিবার বিকেলে ৪টে ১৬ নাগাদ মিজোরামের রাজধানী আইজল থেকে প্রায় ২৫ কিমি পূর্ব ও উত্তর-পূর্বে কম্পন অনুভূত হয়। মিজোরামের পাশাপাশি অসম, মেঘালয়, মণিপুরেও জোরালো কম্পন অনুভূত হয়। রিখটর স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.১।

জাতীয় ভুমিকম্প কেন্দ্র কম্পনের কথা নিশ্চিত করে জানায়, রবিবার বিকেল ৪.১৬-য় কম্পন অনুভূত হয়। আইজলের থেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে ভূমি থেকে ৩৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উপকেন্দ্র। ভূমিকম্পের জেরে আইজলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির সেরকম কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ১৮ জুন উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে মৃদু ভূমিকম্পে হয়। কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫। মিজোরামের চম্পাইতে ভূমি থেকে ৮০ কিমি কম্পনের উপকেন্দ্র গভীরে ছিল। শিলং-সহ উত্তর-পূর্বের প্রায় সব শহরেই সেদিন কম্পন অনুভূত হয়।

উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে। এর আগে দিল্লি, হরিয়ানা, আন্দামানেও ভূমিকম্প হয়েছে। যদিও রিখটার স্কেলে সেসব ভূমিকম্পের তীব্রতা সেরকম ছিল না। তবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এসব ছোটো ভূমিকম্প বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত হতে পারে।