শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি : নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যেই ভেঙে পড়ল জলঢাকা নদীর পাশের বিসর্জন ঘাট। অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের জেরেই ওই ঘাট ভেঙে পড়েছে। দ্রুত ঘাট সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ধূপগুড়ি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলঢাকা নদীর এমন ঘাট আর নেই। সমস্ত কিছুই বিবেচনা করে সেচ দপ্তর জলঢাকা নদীর পাশেই বড়ো করে ঘাট তৈরির উদ্যোগ নেয়। ধূপগুড়ি কুমলাই নদীর পাশে ছটঘাট এবং জলঢাকা নদীর ঘাট মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। সেই টাকায় জলঢাকা নদীর তীরে ঘাট নির্মাণ হয়। দুর্গাপুজোর দশমীর দিন ঘাটটি উদ্বোধন হয়। বিসর্জনের পাশাপাশি ছটপুজোও অনুষ্ঠিত হয়েছে ওই ঘাটে। স্থানীয় বাসিন্দা তথা বিজেপির পশ্চিম মণ্ডলের সহসভাপতি গৌতম সরকার বলেন, নিম্নমানের কাজ হওয়ার ফলেই বিসর্জন ঘাটটি অল্প দিনের মধ্যে ভেঙে গিয়েছে। পাশেই স্কুল থাকায় বিপদের আশঙ্কাও করছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়ে তত্পর হয়েছে সেচ দপ্তর। দপ্তরের আধিকারিক জানান,  নিম্নমানের কাজ হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যবারের মতো জলঢাকা নদীতে চলতি বছরও বর্ষায় জলস্ফীতি হয়েছিল। ঘাট থেকে অল্প দূরেই জলঢাকা নদীর দ্বিতীয় সেতুর কাজ চলছে। অনেকের দাবি, জলস্ফীতি ও সেতু তৈরির যন্ত্রপাতির কম্পনের জেরেই ঘাটের কংক্রিটের নীচ দিয়ে জল ঢুকে পড়ে। ওই জল ঢুকে যাওয়ায় ঘাটের কংক্রিটের নীচ থেকে মাটি ধুয়ে চলে গিয়েছে। নীচে মাটি না থাকায় ওজন পড়তেই ঘাট ভেঙে পড়েছে। বানারহাট সেচ ডিভিশনের এসডিও সুব্রত শূর বলেন, ঘাট ভেঙে য়াওয়ার ঘটনা শুনেছি। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।