খুনের পর ঘরেই পুড়িয়ে ফেলা হল গৃহবধূর দেহ!

190

কলকাতা, ৭ নভেম্বরঃ গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। খুনের পর গৃহবধূর দেহ ঘরেই পুড়িয়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ।

মৃতার নাম লিপিকা মণ্ডল। জানা গিয়েছে, কালনার নিঙড়া গ্রামের বাসিন্দা লিপিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে কালনারই নাদনঘাট থানার মরুইডাঙা গ্রামের বাসিন্দা সুজয় মণ্ডলের। তবে এই সম্পর্কে সম্মতি ছিল না লিপিকার বাড়ির। কিন্তু বাড়ির অমতেই মাস দুয়েক আগে সুজয়কে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি চলে আসেন লিপিকা। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য লিপিকার উপর অত্যাচার শুরু করে সুজয় ও তার পরিবারের লোকেরা।

- Advertisement -

শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কথা বাপের বাড়িতে জানায় লিপিকা। এরপর দাবিমতো পণ দেওয়ার জন্য লিপিকার বাবা জামাই সুজয়ের কাছে ৬ মাস সময় চেয়ে নেন। কিন্তু শ্বশুরের অনুরোধ মানতে রাজি হয়নি সুজয়। পণ না মেলায় লিপিকার ওপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়তে থাকে।

মঙ্গলবার শ্বশুরবাড়ির ঘর থেকে লিপিকার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিবেশীরাই পোড়া গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন। নাদনঘাট থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতার বাপের বাড়ির লোকের অভিযোগ, স্বামী সুজয়ই খুন করেছে লিপিকাকে। তারপর প্রমাণ লোপাট করতে ঘরের মধ্যেই লিপিকার দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্তরা। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।