আদিবাসী গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

748

বর্ধমান: গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে এক আদিবাসী গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল তিন দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে বুধবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার সাকরা গ্রামে। চিকিৎসার জন্য নির্যাতিতাকে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে নাদনঘাট ও কালনা থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলে। তাঁর বয়ানের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ এদিনই একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

ওই নির্যাতিতা আদিবাসী বধূ নাদনঘাট থানার সাকরা গ্রামের বাসিন্দা। বধূ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তিনি শৌচালয়ে যান। শৌচালয় থেকে বেরিয়ে তিনি ঘরে ঢুকতে যাচ্ছিলেন। সেসময় কাছেপিঠে ওঁত পেতে থাকা এক মহিলা ও তিন পুরুষ দুষ্কৃতী তাঁর উপর ঝাপিয়ে পড়ে। দুষ্কৃতীদের সকলের মুখ গামছা দিয়ে ঢাকা ছিল। সেকারণে তাঁদের কাউকেই চিনতে পারেননি নির্যাতিতা।

- Advertisement -

নির্যাতিতা জানান, গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তাঁকে বাড়ির অদূরে নির্জন মাঠে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। এক মহিলা ওই তিন দুষ্কৃতীকে একাজে মদত যোগায়। বিধ্বস্ত শরীরে বাড়ি ফিরে নির্যাতিতা শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে ঘটনার কথা বলেন। বুধবার সকালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার কথা এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়ে পুলিশকে জানিয়েছেন ওই বধূ।

এবিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ধ্রুব দাস জানান, একটি ঘটনা ঘটেছে। মহিলার দেওয়া বয়ানের ভিত্তিতে মামলা রজু করে ডাক্তার হেমব্রম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে, কালনা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গণধর্ষনের অভিযোগ তুললেও এদিন ওই মহিলা মেডিকেল টেস্ট করাতে রাজি হননি। তিনি মেডিকেল টেস্ট করাতে কেন রাজি হলেন না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।