দেরাদুন, ১৫ ফেব্রুয়ারিঃ ফেসবুকে নিজেকে কৃষ্ণা সেন পরিচয় দিয়ে ২০১১ থেকে শুরু হয়েছিল আর্থিক তছরূপের কার্যকলাপ। ধরা পড়েছিল ৩ জানুয়ারি। ২৯ জানুয়ারি সিবিআইকে জানানো হয়। ২০১৪ সালে নিজের পরিবারার সঙ্গে নৈনিতালের ধামপুর থেকে কাঠগোদামে থাকতে শুরু করেন কৃষ্ণা সেন ওরফে সুইটি সেন। সেখানকারই ২২ বছরের এক যুবতীর সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ হয়ে সেবছরই তাঁকে বিয়ে করেন সুইটি। বিয়ের সময় পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা পণ নিয়েছিল সে। কিন্তু তার পরও বাপের বাড়ি থেকে আরও টাকা দাবি করতে থাকে সে। না দেওয়ায় চলত বধূনির্যাতন। মারধর।

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৬-য় ২০ বছরের এক তরুণীকে বিয়ে করে সুইটি। এরপর হরিদ্বারে তাঁর সঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
দ্বিতীয় বিয়ের পরও চলত পণের জন্য নিয়মিত অত্যাচার। দ্বিতীয় বউ জানতে পারে কৃষ্ণ আসলে ছেলে নয় মেয়ে। তারপরেই হল্দওয়ানি থানায় অভিযোগ দায়ের করে তার প্রথম বউ। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ছোটবেলা থেকেই সুইটি ছেলেদের মত সাজতে ভালবাসত।

গতকাল মেডিকেল পরীক্ষা করা হয় সুইটির। এরপর পুলিশ সুইটেকে হল্দওয়ানি জেলে রাখা হয়। তদন্ত করছে পুলিশ।