লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতে হয়রানির শিকার মহিলারা

149

বুনিয়াদপুর: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতে বংশীহারী বিডিও অফিসে হয়রানির শিকার হলেন শতাধিক মহিলা। বুধবার বংশীহারী বিডিও অফিসে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে মহিলারা সকাল থেকে ভিড় জমায়। বেলা ১১টার পর এই প্রকল্পের কাগজপত্র দোতলায় জমা চলছিল। হঠাৎ করে বেলা ১টা ৪৫ নাগাদ কাউন্টারটি বন্ধ হয়ে যায়। উপস্থিত মহিলাদের জানানো হয় আর কাগজপত্র এখানে জমা নেওয়া হবে না। কাগজ জমা না দিতে পারায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা মহিলারা অফিসের বাইরে এসে উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। শেষে পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

দুয়ারে সরকারে বংশীহারী ব্লকের চারটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে কয়েক হাজার মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদন করেছিল। কাগজপত্রের জটিলতার কারণে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। অনেকেই ৫০০ টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার পর জাতিগত শংসাপত্র পেয়েছেন। ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার ওই প্রকল্পের সুবিধা পেতে অনেকেই ব্লকে কাগজ পত্র নিয়ে ভিড় করেন। অনেকেই নতুন করে এই প্রকল্পের সুবিধা নিতেও আসেন। স্বাভাবিকভাবে এত সংখ্যক মহিলা একসঙ্গে উপস্থিত হওয়ার কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

- Advertisement -

এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের চিত্রাহারের লক্ষী বর্মন, পার্বতী দাস, ব্রজবল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিপ্রা সরকার ও গাংগুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজে কানূরের সিঙ্গা কিস্কু, পাতানি রায় অবশেষে এ বিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গণেশ প্রসাদের দ্বারস্থ হন। তিনি উত্তেজিত মহিলাদের শান্ত করেন। এদিনের মতো একটি লেটার বক্সে তাদের কাগজপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আগামী দিন থেকে ব্লকে একসঙ্গে জমায়েত না করে প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কাগজপত্র জমা করার ব্যবস্থা করেন।