দীর্ঘদিনের দাবি মেনে শুরু হল সেতুর কাজ, স্বস্তিতে স্থানীয়রা

96

হেমতাবাদ: দীর্ঘ ৪০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। শুরু হয়েছে কাঞ্চন নদীর উপর সেতু বানানোর কাজ। ২৬ মিটার লম্বা ও ২০ ফুট চওড়া সেতুর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬০ লক্ষ টাকা। সেতু পেয়ে খুশির আমেজ হেমতাবাদ বিধানসভার অন্তর্গত জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সেতু তৈরি হলে শুধুমাত্র নোনা নদীর পাড়ের বাসিন্দারাই নয় সমস্ত ভাটোল এলাকার বাসিন্দারা উপকৃত হবে বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীদের অভিযোগ, গ্রীষ্মকালে নদীর জল কমে গেলে দুর্বল বাঁশের সেতু দিয়ে কোনরকমে পারাপার করতে হয়। সেতু না থাকায় বর্ষাকালে নৌকার উপরই ভরসা করতে হয়। ফলে বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে নিত্যদিন চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়াও মুমূর্ষু রোগীদের অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে ওই সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার করা সম্ভব হয় না। সেতু তৈরি প্রসঙ্গে সমস্ত স্তরের জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবির পাশপাশি লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল প্রশাসনকে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে শ্রম দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী গোলাম রব্বানী, তৎকালীন উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী গৌতম দেবের কাছে আবেদন জানানো হয়। অবশেষে তাদের আশ্বাস মতোই কাজ শুরু হয়েছে।

- Advertisement -

মহারাজা হাট এলাকার বাসিন্দা বিশুয়া দাস বলেন, ‘নোনা নদীর ওপর সেতু না হওয়া বিগত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ। অবশেষে বহু প্রতিক্ষীত সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সকলে খুশি।’ উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি কবিতা বর্মন বলেন, ‘জগদীশপুর এলাকার বাসিন্দাদের দাবি মত জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তড়িঘড়ি সেতু নির্মাণের ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়। খুব শীঘ্রই নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাবে।‘