মজুরি অমিল, বিডিওর দপ্তরে বিক্ষোভে শামিল শ্রমিকরা

141

চাঁচল: একশো দিনের কাজ করেও অমিল মজুরির টাকা। অথচ কাজ না করেই অনেকেই দিব্যি টাকা পেয়ে চলেছেন বলে অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ উঠেছে চাঁচল-১ ব্লকের কংগ্রেস পরিচালিত মকদমপুর পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক ও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে। শ্রমিকদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধানকে বারংবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বুধবার চাঁচল-১ বিডিওর দ্বারস্থ হলেন শতাধিক জবকার্ডধারী শ্রমিক। লিখিতভাবে বিডিওকে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি বিক্ষোভে শামিল হলেন তাঁরা

মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশ্বিনপুর সংসদের শ্রমিক লুসি বিবির অভিযোগ, মাটি কাটার কাজ করেও প্রায় ছয় সপ্তাহের কাজের টাকা পায়নি। অথচ গ্রামের কতিপয় মানুষ কাজ না করেই টাকা পাচ্ছেন। আর সেই টাকা ভাগ করে নিচ্ছেন সুপারভাইজার শেখ মিনাল হোসেন ও পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক মীর মহসিন। তিনি বলেন, ‘লকডাউনের পর থেকে স্বামীর কাজ স্বাভাবিক নেই। এই পরিস্থিতিতে ১০০ দিনের কাজে হাত লাগিয়েছিলাম।কিন্তু মজুরি মিলছে না। প্রধানকে বারংবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।’ একই অভিযোগ তুলে মহম্মদ হাফিজুদ্দিন বলেন, ‘সুপারভাইজার শেখ মিনাল হোসেনকে টাকার কথা বলতেই তিনি অর্ধেক টাকা দাবি করেন।’

- Advertisement -

অভিযোগ অস্বীকার করে মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহদেবচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘১০০ দিনের কাজ ও মজুরি প্রদান নিয়মমাফিক চলে। কাজ দেখেই বিল দেওয়া হয়। কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের বদনাম করার জন্যই শাসকদল উঠে পড়ে লেগেছে।’ অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে নির্মাণ সহায়ক মীর মহসিন বলেন, ‘উদ্দেশ‍্য প্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনা হচ্ছে।’ একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আশ্বিনপুর সংসদের সুপারভাইজার শেখ মিনাল হোসেনও।

চাঁচল-১ এর বিডিও সমীরণ ভট্টাচার্য বলেন, ‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’