বিশ্বের বৃহত্তম কোভিড হাসপাতাল দিল্লিতে

290

নয়াদিল্লি: রাজধানীর ছত্তরপুর এলাকায় তৈরি হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম কোভিড কেয়ার সেন্টার। রবিবার এই সেন্টারের উদ্বোধন করেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজাল। নাম দেওয়া হয়েছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল কোভিড কেয়ার সেন্টার। এখানে একসঙ্গে ১০ হাজার কোভিড সংক্রামিতের চিকিৎসা করা যাবে। ১৭০০ ফুট লম্বা এবং ৭০০ ফুট চওড়া এই কোভিড হাসপাতাল।

ইন্দিরা গান্ধি বিমানবন্দরের কাছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিশাল জমিতে অস্থায়ীভাবে এই হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। সেন্টারটির ২০০টি ভাগ রয়েছে। প্রতি ভাগে ৫০টি শয্যা আছে, অর্থাৎ মোট বেড রয়েছে ১০ হাজার। এর ১০ শতাংশ মানে ১০০০ বেডে অক্সিজেনের সুবিধা রয়েছে। ২৫০টি বেডে আইসিইউ-র ব্যবস্থা আছে। হাসপাতালের প্রশাসনিক দায়িত্বে আছে দিল্লি সরকার।

- Advertisement -

হাসপাতাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) কে। ১৫ জুন চিনের সঙ্গে লড়াইয়ে গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা শহিদ হয়েছেন, তাঁদের সম্মান জানাতে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলি তাঁদের নামে নামকরণ করা হয়েছে। হাসপাতাল তৈরির জন্য জমি দিয়েছে রাধা-স্বামী সৎসঙ্গ ব্যাস নামে একটি সংগঠন। সংগঠনটির সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবীরা হাসপাতাল পরিচালনায় সাহায্য করবেন।

এই সেন্টারে আপাতত মৃদু উপসর্গ এবং উপসর্গহীন সংক্রামিতদের চিকিৎসা হবে। উপসর্গহীন কিন্তু যাঁদের হোম আইসোলেশনে থাকার সামর্থ নেই, তাঁরাও এই হাসপাতালে থাকতে পারবেন। রবিবার হাসপাতালটি পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। পরে অমিত শাহ টুইটে বলেন, ‘মাত্র ১১ দিনে ২৫০টি আইসিইউ শয্যা সহ ১০ হাজার শয্যার অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। ডিআরডিও, টাটা সন্স এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।’

হাসপাতাল তৈরির পুরো পরিকল্পনা ডিআরডিও-র। সংস্থার চেয়ারম্যান জি সতীশ রেড্ডি  বলেন, ’বিনামূল্যে চিকিৎসার সবরকম সুযোগ দেওয়া হবে। হাসপাতালের পুরো দায়িত্বভার সেনার হাতে। সেনারা দিনরাত এখানে পরিষেবা দেবেন। প্রথম মাসের জন্য চিকিৎসক, নার্স, স্টাফ মিলিয়ে মোট ৬০০ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে।’ সেনাবাহিনীর চিকিৎসক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাধুরী কানিতকার বলেন, ’পরবর্তীকালে রোগীর সংখ্যা অনুযায়ী স্টাফের সংখ্যা বাড়বে।’ আইটিবিপি-র ডিজি এসএস দেসওয়াল বলেছেন, ‘দেশের সীমান্ত ও জাতীর সুরক্ষায় আমরা নিবেদিত। দেশের জন্য আমরা প্রাণ দিতে প্রস্তুত।‘