পুজোর ধারাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কম বাজেটের মধ্যে হচ্ছে মা লক্ষ্মীর আরাধনা

438

গাজোল: গাজোল শহর এলাকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে ছোট্ট একটি জনপদ আলাল। কিন্তু এখানকার কয়েকজন যুবকের প্রচেষ্টায় বছর ধরে এই এলাকা উঠে এসেছে খবরের শিরোনামে। যার প্রথম এবং প্রধান কারণ হল লক্ষ্মীপুজো। বছর দশেক ধরে বিগ বাজেটের লক্ষ্মী পুজো উপহার দিয়ে আসছে আলালের “চলো পাল্টাই ক্লাব”। প্রথম থেকেই এই ক্লাবের লক্ষ্মী পুজোর বাজেট থাকত আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকায় বসত বিশাল মেলা। দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসতেন বিগ বাজেটের লক্ষ্মী পুজো দেখতে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য এবার পাল্টে গিয়েছে পরিস্থিতি। এলাকার মানুষের হাতে টাকা নেই। একই পরিস্থিতি ক্লাব সদস্যদেরও। তাই এবার আর বড় করে পুজো হচ্ছে না। পুজোর ধারাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য মাত্র ৫০ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে দিয়ে নম নম করে হচ্ছে মা লক্ষ্মীর আরাধনা।

পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা পাপ্পু গুপ্তা জানালেন, বিগ বাজেটের দুর্গাপুজো কিংবা কালীপুজো অনেক জায়গাতেই হয়। আমাদের এখানেও ধুমধাম করে দুর্গা পুজো হয়। কিন্তু বছর দশেক আগে এলাকার কিছু যুবক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আমরা বিগ বাজেটের লক্ষ্মী পুজো করব। সেই থেকে শুরু, প্রথমবার থেকেই লক্ষ্মীপুজোকে ঘিরে একটা আলাদা চমক তৈরি করেছিলাম আমরা। শুরু করলাম বিগ বাজেটের পুজো।

- Advertisement -

তারপর থেকে প্রতিবারই আমাদের লক্ষ্মী পুজোর বাজেট থাকত আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকায় বসত বিশাল মেলা। দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসতেন আমাদের পুজো দেখতে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য এবার সবকিছুই বন্ধ। অনুমতি মেলেনি মেলার। প্রশাসন কড়া নির্দেশ খুব ছোট মাপের পুজো করতে হবে। পুজো মণ্ডপ রাখতে হবে খোলামেলা। একসঙ্গে ৫-৭ জনের বেশি দর্শক যেন মন্ডপ প্রাঙ্গণে না থাকে। উদ্যোক্তা এবং দর্শক সকলের জন্যই মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। তাই এবার খুব ছোট করে কোনও রকমে পুজো সারছি আমরা। মায়ের কাছে প্রার্থনা জানাচ্ছি আগামী বছর যেন আবার ভালভাবে করতে পারি মায়ের পুজো।