জাতীয় দলে সুযোগ পেতে পরিশ্রমের শপথ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শুধু ঈশান পন্ডিতা নয়, জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার স্বপ্ন সফল হওয়ায় সব তরুনই কৃতজ্ঞ কোচ ইগর স্টিমাকের কাছে।

ওমান ও সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচের জন্য বেছে নেওয়া ৩৫ জনের দলে এবার দশ নতুন মুখ। যার মধ্যে একমাত্র আশুতোষ মেহতা ছাড়া বাকিরা সেই অর্থে এবারই প্রথম সিনিয়র দলের প্রথম একাদশে নিয়মিত হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের কাছে জাতীয় দলের দরজা খুলে যাওয়া প্রায় স্বপ্নের মতই। এই মরশুমে হায়দরাবাদ এফসির সাফল্যের পিছনে যাঁদের নাম বারবার উঠে এসেছে তাঁদের মধ্যে আকাশ মিশ্র অন্যতম। তিনি পরিষ্কার জানাচ্ছেন, জাতীয় দলের কোচ নিজে যখন বেছে নেন তখন সেটা বিশাল অনুপ্রেরণার কাজ করে। ইগর স্টিমাককে ধন্যবাদ দিতে চাই যে আমাকে জাতীয় দলের যোগ্য মনে করেছেন উনি। তবে এটা অনেক দায়িত্বও বাড়িয়ে দিল। কারণ ওঁর মাথা নীচু হতে দেওয়া চলবে না। যেদিন জাতীয় দলের জার্সি পড়ব, সেদিনটা হবে আমার জীবনের সেরা দিন। জানি সেই দিনটা এখনও অনেক দূরে। তার আগে আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। নিজেকে চেনাতে পারলে তবেই সুযোগ মিলবে। প্রায় একই বক্তব্য লালেঙমাওইয়ারও, জাতীয় শিবিরে ডাক পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম সেরা ঘটনা। তবে এখনও কিছুই করতে পারিনি। আমার স্বপ্ন জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা। তার জন্য যা যা করা দরকার সবই করব। কোচকে ধন্যবাদ দিতে চাই আমার উপর আস্থা রাখার জন্য।

- Advertisement -

ভারতের হয়ে অনূর্ধ-১৭ বিশ্বকাপের একমাত্র গোলদাতা ছিলেন জিকসন সিং। তিনি জানালেন, আমি অসম্ভব উত্তেজিত। আমার জীবনের স্বপ্নপূরণের সুযোগ এসেছে। যার জন্য কোচ ইগর স্টিমাকের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি নিজে চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি। এই যে সুযোগটা এসেছে এটা পরিশ্রম করে কাজে লাগাতে চাই। ধীরাজ সিংও ছিলেন সেই দলের প্রথম গোলরক্ষক। তাঁর মন্তব্য, এই ডাক পাওয়াটা আমার কাছে একটা বাড়তি অনুপ্রেরণা। শিবিরে আমি সেরাদের সঙ্গে অনুশীলন করার সুযোগ পাব। যাতে শিখতেই পারব। নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য এখন আমাকে প্রচুর খাটতে হবে। এটা আমার প্রথম পদক্ষেপ। কোচকে এই সুযোগটুকু দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই। ভারতীয় দলে নতুন প্রজন্মকে প্রাথমিকভাবে সুযোগ দেওয়ার কাজটা স্টিমাক করে দিয়েছেন। এবার এই তরুনদের পালা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার।